Lord Brahma

ব্রহ্মা চালীসা

(Brahma Chalisa in Bengali)

Also known as jaya brahma jaya svayambhu caturanana sukhamula

A Hindi chalisa to Brahma which spends its middle on the one story that explains why he has almost no temples. He is described first in the ordinary way — four faces, four arms, red-bodied, white-bearded, in white cloth with the sacred thread, Savitri for a wife and Sarasvati for a daughter — and then the narrative begins. Seated on the lotus, he looks about and concludes that there is nobody else in the world; he takes hold of the lotus stalk and vows to find its end; he travels it for crores of years and cannot; and out of that failure he decides that everything must be contained in himself, and grows proud. A voice from the sky corrects him, and he goes down the stalk to find Vishnu asleep. The chalisa is unusually frank about it, and closes at Pushkar, the one place that is his.

॥ দোহা ॥
জয ব্রহ্মা জয স্বযম্ভূ, চতুরানন সুখমূল।
করহু কৃপা নিজ দাস পৈ, রহহু সদা অনুকূল॥
তুম সৃজক ব্রহ্মাণ্ড কে, অজ বিধি ঘাতা নাম।
বিশ্ববিধাতা কীজিযে, জন পৈ কৃপা ললাম॥
॥ চৌপাঈ ॥
জয জয কমলাসান জগমূলা।
রহহু সদা জনপৈ অনুকূলা॥
রুপ চতুর্ভুজ পরম সুহাবন।
তুম্হেং অহৈং চতুর্দিক আনন॥
রক্তবর্ণ তব সুভগ শরীরা।
মস্তক জটাজুট গংভীরা॥
তাকে ঊপর মুকুট বিরাজৈ।
দাঢী শ্বেত মহাছবি ছাজৈ॥
শ্বেতবস্ত্র ধারে তুম সুন্দর।
হৈ যজ্ঞোপবীত অতি মনহর॥
কানন কুণ্ডল সুভগ বিরাজহিং।
গল মোতিন কী মালা রাজহিং॥
চারিহু বেদ তুম্হীং প্রগটাযে।
দিব্য জ্ঞান ত্রিভুবনহিং সিখাযে॥
ব্রহ্মলোক শুভ ধাম তুম্হারা।
অখিল ভুবন মহঁ যশ বিস্তারা॥
অর্দ্ধাংগিনি তব হৈ সাবিত্রী।
অপর নাম হিযে গাযত্রী॥
সরস্বতী তব সুতা মনোহর।
বীণা বাদিনি সব বিধি মুন্দর॥
কমলাসন পর রহে বিরাজে।
তুম হরিভক্তি সাজ সব সাজে॥
ক্ষীর সিন্ধু সোবত সুরভূপা।
নাভি কমল ভো প্রগট অনূপা॥
তেহি পর তুম আসীন কৃপালা।
সদা করহু সন্তন প্রতিপালা॥
এক বার কী কথা প্রচারী।
তুম কহঁ মোহ ভযেউ মন ভারী॥
কমলাসন লখি কীন্হ বিচারা।
ঔর ন কোউ অহৈ সংসারা॥
তব তুম কমলনাল গহি লীন্হা।
অন্ত বিলোকন কর প্রণ কীন্হা॥
কোটিক বর্ষ গযে যহি ভাংতী।
ভ্রমত ভ্রমত বীতে দিন রাতী॥
পৈ তুম তাকর অন্ত ন পাযে।
হ্বৈ নিরাশ অতিশয দুঃখিযাযে॥
পুনি বিচার মন মহঁ যহ কীন্হা।
মহাপঘ যহ অতি প্রাচীন॥
যাকো জন্ম ভযো কো কারন।
তবহীং মোহি করযো যহ ধারন॥
অখিল ভুবন মহঁ কহঁ কোঈ নাহীং।
সব কুছ অহৈ নিহিত মো মাহীং॥
যহ নিশ্চয করি গরব বঢাযো।
নিজ কহঁ ব্রহ্ম মানি সুখপাযে॥
গগন গিরা তব ভঈ গংভীরা।
ব্রহ্মা বচন সুনহু ধরি ধীরা॥
সকল সৃষ্টি কর স্বামী জোঈ।
ব্রহ্ম অনাদি অলখ হৈ সোঈ॥
নিজ ইচ্ছা ইন সব নিরমাযে।
ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশ বনাযে॥
সৃষ্টি লাগি প্রগটে ত্রযদেবা।
সব জগ ইনকী করিহৈ সেবা॥
মহাপঘ জো তুম্হরো আসন।
তা পৈ অহৈ বিষ্ণু কো শাসন॥
বিষ্ণু নাভিতেং প্রগট্যো আঈ।
তুম কহঁ সত্য দীন্হ সমুঝাঈ॥
ভৌটহু জাঈ বিষ্ণু হিতমানী।
যহ কহি বন্দ ভঈ নভবানী॥
তাহি শ্রবণ কহি অচরজ মানা।
পুনি চতুরানন কীন্হ পযানা॥
কমল নাল ধরি নীচে আবা।
তহাং বিষ্ণু কে দর্শন পাবা॥
শযন করত দেখে সুরভূপা।
শ্যাযমবর্ণ তনু পরম অনূপা॥
সোহত চতুর্ভুজা অতিসুন্দর।
ক্রীটমুকট রাজত মস্তক পর॥
গল বৈজন্তী মাল বিরাজৈ।
কোটি সূর্য কী শোভা লাজৈ॥
শংখ চক্র অরু গদা মনোহর।
শেষ নাগ শয্যা অতি মনহর॥
দিব্যরুপ লখি কীন্হ প্রণামূ।
হর্ষিত ভে শ্রীপতি সুখ ধামূ॥
বহু বিধি বিনয কীন্হ চতুরানন।
তব লক্ষ্মী পতি কহেউ মুদিত মন॥
ব্রহ্মা দূরি করহু অভিমানা।
ব্রহ্মারুপ হম দোউ সমানা॥
তীজে শ্রী শিবশংকর আহীং।
ব্রহ্মরুপ সব ত্রিভুবন মাংহী॥
তুম সোং হোঈ সৃষ্টি বিস্তারা।
হম পালন করিহৈং সংসারা॥
শিব সংহার করহিং সব কেরা।
হম তীনহুং কহঁ কাজ ধনেরা॥
অগুণরুপ শ্রী ব্রহ্মা বখানহু।
নিরাকার তিনকহঁ তুম জানহু॥
হম সাকার রুপ ত্রযদেবা।
করিহৈং সদা ব্রহ্ম কী সেবা॥
যহ সুনি ব্রহ্মা পরম সিহাযে।
পরব্রহ্ম কে যশ অতি গাযে॥
সো সব বিদিত বেদ কে নামা।
মুক্তি রুপ সো পরম ললামা॥
যহি বিধি প্রভু ভো জনম তুম্হারা।
পুনি তুম প্রগট কীন্হ সংসারা॥
নাম পিতামহ সুন্দর পাযেউ।
জড চেতন সব কহঁ নিরমাযেউ॥
লীন্হ অনেক বার অবতারা।
সুন্দর সুযশ জগত বিস্তারা॥
দেবদনুজ সব তুম কহঁ ধ্যাবহিং।
মনবাংছিত তুম সন সব পাবহিং॥
জো কোউ ধ্যান ধরৈ নর নারী।
তাকী আস পুজাবহু সারী॥
পুষ্কর তীর্থ পরম সুখদাঈ।
তহঁ তুম বসহু সদা সুররাঈ॥
কুণ্ড নহাই করহি জো পূজন।
তা কর দূর হোঈ সব দূষণ॥

Explore More